মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

পাইকগাছা উপজেলাতে তেমন কোন প্রাকৃতিক সম্পদ নাই এখানে প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে মাছ আর মাছ এখানে আপনা আপনি মাছ তাদের ডিম ছেড়ে বংশ রিস্তার করে পানি সরবরাহের গেটের মাধ্যমে ও বাধকেটে বা বাধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি প্রবেশের ফলে প্রাকৃতিক পানির সাথে ভেসে আসা অন্যান্য মাছের পোনার ন্যায় বাগদা চিংড়ির পোনা আটকে পড়তো যা চাষীগণ জাল থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে আহরণ করতো। স্বাধীনতার পর বিশ্ব বাজারে চিংড়ি রপ্তানী ও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষীগন বৃষ্টি মৌসুমের আগে নদী থেকে বাগদা চিংড়ী পোনা ধরে খালের পানিতে আটকে রেখে ৪-৫ মাস পর বৃষ্টি শুরুর আগেই আহরণ করে তাদের জমিতে আমন ধানের আবাদ করতো। পর্যায়ক্রমে চাষীগন বাগদা চিংড়ীর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পানির উর্ববরতা বৃদ্ধি ও সম্পূরক খাদ্য ব্যবহারের মাধ্যমে পরিকল্পিত ভাবে বাগদা চিংড়ী চাষ শুরু করে। ১৯৯০ সাল থেকে কারখানায় চিংড়ী খাদ্য উৎপাদন শুরুহয়, ১৯৯২ সাল থেকে বানিজ্যিক ভাবে হ্যাচারীতে বাগদা চিংড়ী পোনা উৎপাদন শুরুএবং চিংড়ী চাষের উপকরণ প্রাপ্তি সহজলভ্য হওয়ায় এ এলাকায় মানুষের মধ্যে একক ও সমাজভিত্তিক চিংড়ী চাষের প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রসারিত হয়েছে চিংড়ী চাষের ক্ষেত্র। গত এক দশক আগেও অত্র উপজেলায় বাগদা চিংড়ীর উৎপাদন ছিল ৩৫০০মেঃটন, যা ২০১৩ সালে ৫৭২০মেঃ টঃ উন্নীত হয়েছে।এখানে উৎপাদিত বাগদা চিংড়ীর দাম অন্যান্য এলাকার তুলনায় কম। প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং বাগদা চিংড়ী উৎপাদনের প্রয়োজনীয় খাদ্য সহজে পাওয়ার কারনে ব্যাপকভাবে বাগদা চিংড়ী উৎপাদিত হয়, ফলে কম মুল্যে বাগদা চিংড়ী ক্রয় করা সম্ভব।পাইকগাছা উপজেলাতে ব্যাপক বাগদা চিংড়ী উৎপাদন হওয়ায় এ এলাকার বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বাগদা চিংড়ী উৎপাদনের সাথে সম্পৃক্ত বিধায় তাদের আর্থিক আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে বাগদা চিংড়ী উৎপাদন ও ক্রয় বিক্রয়ে ভুমিকা রাখে। গরীব,অসহায়,বেকার যুব,ধনী সহ সকল স্তরের মানুষ চিংড়ী চাষে উপকার ভোগ করে থাকেন।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঢাকাসহ বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতে এ বাগদা চিংড়ী বিক্রি হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারী ও খুচরা ব্যবাসায়ীরা এসে বাগদা চিংড়ী ক্রয় করেন। বিশ্বের বিভিন্নদেশ সহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছে এটি সুপরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই এখানে কোর মাছের ঘাটতি নাই এখান কার মানুষ কেউ-ই আয়োডিনের অভাবে ভেগেনা।